Note: Now you can download articles as PDF format
  • Historical Story

আরেক ভাষা আন্দোলনের কিছু জানা কিছু অজানা ইতিহাস

  • অরিন্দম দেব
  • June 28, 2020
  • 58 বার পড়া হয়েছে

Sorry! PDF is not available for this article!


আসামের বরাক উপত্যকায় বাঙলা ভাষা আন্দোলন,ছিলো আসামের অসমীয়া ভাষাকে রাজ্যের একমাত্র দাপ্তরিক  ভাষা করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ।।

যদিও জনসংখ্যার এক উল্লেখযোগ্য অংশ বাংলাভাষী, তথাপি  আসাম সরকার  হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করাতেই এ আন্দোলনের সূত্রপাত হয়!!

বরাক উপত্যকায়, বাঙলাভাষী জনসংখ্যাই সংখ্যাগরীষ্ঠ।

 

প্রথম প্রস্তাবনাঃ- ১৯৬০ সালের এপ্রিল মাস। অসম প্রদেশ কংগ্রেস কমিটিতে, অসমীয়া ভাষাকেই দাপ্তরিক ভাষা বলে প্রস্তাব ঘোষিত হয়ে গৃহীত হয়।

এর ফলে,ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় উত্তেজনার পারদ চড়তে থাকে।উত্তেজিত অসমীয়া জনতা,বাঙালি অভিবাসীদের আক্রমণ করে।

১৯৬০ সালেরই জুলাই ও সেপ্টেম্বর মাসে,প্রায় ৫০,০০০ বাঙালি, ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা ছেড়ে পশ্চিমবঙ্গে পালিয়ে আসে এবং অন্য

৯০,০০০ বাঙালি, বরাক উপত্যকা  তথা উত্তর পূর্ব পার্বত্য এলাকার অন্যত্র পালিয়ে যায়।

 

গোপাল মেহরোত্রার নেতৃত্বে, এক তদন্ত কমিশন গঠিত হয়।। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কামরূপ জেলার ২৫টি গ্রামের  ৪,০১৯টি কুঁড়েঘর ও ৫৮টি বাড়ি আক্রমণ করা হয় - যা সহিংসতার সবচেয়ে আক্রান্ত এলাকা পরিচিত হয়।।

 

১০ই অক্টোবর ১৯৬০

এ তখনকার অসমের মুখ্যমন্ত্রী বিমলা প্রসাদ চাহিল অসমীয়া ভাষাকে দাপ্তরিক ভাষার স্বীকৃতির প্রস্তাব উত্থাপন করেন।উত্তর করিমগঞ্জের ( ততকালীন পূর্ব পাকিস্তানের)  বিধায়ক শ্রী রণেন্দ্র মোহন দাস, এ প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেন।

 

তবু ২৪শে অক্টোবর ১৯৬০ এ, এই প্রস্তাবটি বিধানসভায় গৃহীত হয়ে বিল পাস হয়!

এই বরাক উপত্যকার বাঙালীর ওপর অসমীয়া ভাষা চাপানোর প্রতিবাদ স্বরূপ আবার, ৫ই ফেব্রুয়ারি ১৯৬১ সালের " কাছাড় গনসংগ্রাম পরিষদ " সংগঠিনটির জন্ম হয়!

 

১৪ই এপ্রিল ১৯৬১ সালে, অসম সরকারের এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে, শিলচর-হাইলাকান্দি-করিমগঞ্জের লোকেরা সঙ্কল্প দিবস পালন করেন।

বরাক উপত্যকার বাঙালির মনে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য এই পরিষদ  ২৪ এপ্রিল ১৯৬১ এ একপক্ষকালের জন্য দীর্ঘ এক পদযাত্রা শুরু করেন,যা ২রা মে ১৯৬১ তে শেষ হয়।এতে অংশগ্রহণকারী " সত্যাগ্রহীরা" প্রায় দুশো মাইল পরিক্রমা করে করে, ঘুরে ঘুরে  উপত্যকার গ্রামে গ্রামে, সচেতনতা প্রচার চালান।

এই পদযাত্রার শেষে, পরিষদের মুখ্যাধিকারী রথী সেন ঘোষণা করেন -

 

" যদি ১৩ই মে ১৯৬১ র মধ্যে বাংলাকে সরকারি ভাষা হিসেবে পুনর্ঘোষণা না করা হয়,তবে

১৯শে মে ১৯৬১ তারিখে, আমরা ব্যপক হরতালে নামবো! "

 

এরপরে, একটি দৃষ্টান্ত স্বরূপ, শিলচরের গভঃ.গার্লস হায়ার সেকেন্ডারি এন্ড মাল্টিপার্পাস স্কুল, সেন্ট্রাল রোডের কাছে,

একটি ফল্স বা ডেমো কোর্ট সিনের অভিনয় করা হয়।সেখানে, অসম সাহসী মঞ্জুলী দেব (ওই স্কুলের সহ - প্রধান শিক্ষিকাও বটে) , তখনকার অসমের  মুখ্যমন্ত্রী চালিহার ফাঁসির হুকুম জারি করেন।তার এই সাজানো এজলাসে, যে মহিলা, উকিলের অভিনয় করেন, তিনি একসময়ের স্বনামধন্যা অভিনেত্রী, শিলচর কলেজেরই ছাত্রী গোপা দত্ত আইচ ।তার অভিনয়াংশে, তিনি, সেই  "জজসাহেবকে" তার আসনচ্যুত করে, তার জায়গায় বসে জজিয়তি শুরু করে দেন।

পরে, সকলে মিলে, ওই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে, বিমল প্রসাদ চালিহার কুশপুত্তলীকা দাহ করা হয়।

এর ফলস্বরূপ, অত্যন্ত উচ্চশিক্ষিতা সহ - প্রধান শিক্ষিকা - যিনি ইংরেজি, বাঙলা এবং ইকনমিক্সে প্রথম শ্রেণীর এম.এ, ও বি.টি.পাশ ছিলেন গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের, - তাকে তার পদ থেকে অপসারিত করে, প্রত্যন্ত এলাকার একটি গ্রামের প্রাইমারী ইস্কুলে, সাধারণ সহ - শিক্ষিকা করে পাঠানো হয়।

আর গোপা দেবী শোনা যায় কলকাতায় পাড়ি জমান।

 

১২ই মে ১৯৬১ তে, এদিকে, এই হরতালের হুমকির ফলস্বরূপ, অসম রাইফেলস, মাদ্রাজ রেজিমেন্ট এবং কেন্দ্রীয় সংরক্ষিত পুলিশ বাহিনী, শিলচরে ফ্ল্যাগমার্চ শুরু করে।।

 

১৮ই মে ১৯৬১ তে অসম পুলিশ এই আন্দোলনের তিন নেতা - ১] নলিনীচন্দ্র দাশ

           ২] রবীন্দ্রনাথ সেন

এবং    ৩] বিধুভূষণ চৌধুরী ( সম্পাদক - সাপ্তাহিক

যুশক্তি), এদের গ্রেপ্তার করে।

 

১৯শে মে ১৯৬১ তে,  শিলচর, হাইলাকান্দি ও করিমগঞ্জে পিকেটিং শুরু হয়।

করিমগঞ্জে রেল স্টশন ও স্থানীয় আদালতে,

শিলচরে রেল স্টেশনে।

 

শিলচর স্টেশনে, বিকেল ৪ টের ট্রেনের সময় পার হবার পরে, হরতাল শেষ হবার কথা ছিলো।

সেদিন ভোর :৪০ এর ট্রেনের একটি টিকিটও বিক্রি হয়নি।সকালে হরতাল শান্তিপূর্ণরূপেই কিন্তু অতিবাহিত হয়েছিল।

 

কিন্তু বিকেলে,স্টেশনে হঠাৎ অসম রাইফেলসের জওয়ানরা এসে হাজির হয়!

বেলা :১৫ নাগাদ, নয় জন সত্যগ্রহীদের  কাটিগোরা থেকে, গ্রেপ্তার করা একটি ট্রাক, তারাপুর স্টেশনের কাছ দিয়ে পার হচ্ছিল।

পিকেটিংকারীরা, তাদের সকলকে গ্রেপ্তার বরণ হতে দেখে, তীব্র প্রতিবাদে মুখর হয়।

 

ভয় পেয়ে তখন, পুলিশ ট্রাকটি ফেলে রেখে, বন্দীদের নিয়ে পালিয়ে যায়।

এরপর, কোনো একজন অসনাক্ত লোক, সেই ট্রাকে আগুন জ্বালিয়ে দেয়।দমকলবাহিনীর তৎপরতায়, সে আগুন নির্বাপিতও করা সম্ভব হয়।

 

বেলা :৩৫ নাগাদ, শিলচর স্টেশনের সুরক্ষায় থাকা, প্যারামিলিটারি বাহিনী, হঠাৎ আন্দোলনকারীদের বন্দুক ও লাঠি দিয়ে অকারণ মারতে শুরু করে।

প্রায় ৭ মিনিটের মধ্যেই তারা ১৭ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে, আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে।

১২ জন গুলিবিদ্ধ হন যার মাঝে ৯ জন সেখানেই ও পরে আরো ২ জন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

 

২০শে মে ১৯৬১, পরের দিন, শিলচরের ক্রুদ্ধ জনতা, শহীদদের শবদেহ নিয়ে প্রতিবাদ মুখর হয়ে উত্তাল হন।

এই ঘটনার পশ্চাতেই, অসম সরকার, বরাক উপত্যকায়, বাংলাকে সরকারি ভাষা হিসেবে পুনর্ঘোষণা করতে বাধ্য হন।।

 

তাই প্রতি বছর, #১৯শে #মে দিনটিকে  বরাক উপত্যকাসহ ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে, বাংলাভাষা শহীদ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।।

 

২০১১র ১৯শে মে এই ভাষা আন্দোলনের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে

১] শহীদ কমলা ভট্টাচার্য মূর্তি স্থাপন কমিটির পক্ষ থেকে, শ্রীযুক্তা গোপা দত্ত আইচ ছোটেলাল শেঠ ইন্সটিটিউটের প্রাঙ্গনে কমলার একটি ব্রোঞ্জের মূর্তি উন্মোচন করেন।

 

২] শিলচর রেলওয়ে স্টেশনের নতুন নামকরণ করা হয় " ভাষা শহীদ স্টেশন "!

 

শহীদ তালিকায় নাম যাদের আছে তারা -

 

১] কানাইলাল নিয়োগী

২] চণ্ডিচরণ সূত্রধর

৩] বীরেন্দ্র সূত্রধর

৪] হীতেশ বিশ্বাস

৫] সত্যেন্দ্র দেব

৬] কুমুদরঞ্জন দাস

৭] সুনীল সরকার

৮] তরণী দেবনাথ

৯] শচীন্দ্র চন্দ্র পাল

১০] সুকোমল পুরকায়স্থ

১১] কমলা ভট্টাচার্য।।

 

এর অনেক পরে,

 

২১শে জুলাই ১৯৮৬ সালে, অসমের ততকালীন মুখ্যমন্ত্রী, তরুণ গোগোই, অসম সরকারের হয়ে,

" সেবা সার্কুলার " নামে আরেকটি সার্কুলার বের করেন, যার ফলাফল সুদূরপ্রসারী হয়ে রাজনীতিতে এক অনন্য দৃষ্টান্ত বা নজির রাখেঃ-

 

        সেবা সার্কুলার

 

অসম রাজ্যবাসী সকল মানুষকেই, অসমীয়া ভাষাকে, রাজ্যের প্রথম ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে 

বাধ্য হতে হবে।।

 

আদেশানুসারে -

মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়

অসম রাজ্য সরকার।।

 

এ সার্কুলার বা বিজ্ঞপ্তি পাস করে, তখন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গোগোই, করিমগঞ্জ সার্কিট হাউসে যান।

সে খবর জানাজানি হবার পরেই, করিমগঞ্জ সার্কিট হাউস প্রাঙ্গনে, প্রতিবাদীরা গর্জে উঠে আবার মুখরিত হয়ে পড়েন।

 

অসম পুলিশ তখন, নির্বিবাদে ও নির্দ্বিধায় তাদের ওপর নৃশংসভাবে গুলিবর্ষণ শুরু করে।

বহু শিক্ষিত মানুষ গুলিবিদ্ধ হন।

এর মাঝে ১] জগন্ময় দেব এবং ২] দিব্যেন্দু দাস  গুলিবিদ্ধ হয়ে ততক্ষণাতই শহীদ হন।।

 

এতে আবার দেশব্যাপী তীব্র আন্দোলন শুরু হয়।এরফলে ভয়ে ভীত অসম রাজ্য সরকার, এই  "সেবা সার্কুলার " প্রত্যাহার করতে বাধ্য  হয়,ততকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর তীব্র ধিক্কারসহ তিরস্কার ও উচিৎ  পদক্ষেপে।।

 

( বিশেষ উল্লেখ্যঃ-

 

১৯৮৭তে, রাজীব গান্ধী  ১৯ শে মে, দিনটিকে

" ভাষা শহীদ দিবস " Language Martyrs' Day বা " মাতৃভাষা দিবস" ( Mother Tongue Day ) রূপে স্বয়ং ঘোষণা করেন।।

 

তবে, কাছাড়ের বাঙালিরা, আজও মনে করেন, তারা উপেক্ষিত! পশ্চিমবঙ্গ সরকার থেকে কখনোই, এ আন্দোলনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি এবং লঘু দৃষ্টিতেই দেখা হয়ে এসেছে।

 

বিশাল প্রচার পায় কেবলই ২১শে ফেব্রুয়ারি। এই মুষ্টিমেয় বাঙালির  মতে, কমলা ভট্টাচার্যর নামেও

" আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস " এর স্বীকৃতি পাওয়া উচিৎ সেই ১৯শে মে, কিন্তু এ রাজ্যে, এ দেশে, তিনি আজও চরম উপেক্ষিতা!

 

প্রাসঙ্গিক তথ্য ও গ্রন্থসূত্রঃ-

 

১] একটি কমিশনের রিপোর্ট যার পুরোধা ছিলেন

 

শ্রী সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়, শ্রীমতি মায়া রায় এবং সাংবাদিক তথা কবি শ্রী অমিতাভ চৌধুরী।।

১৯৭১ সালে, বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে, তারা শিলচর যান,একটি আলোচনা সভা বসে, শ্রী এম.সি.চ্যাটার্জির গৃহে যিনি শ্রী গোবিন্দ দেবের ভাগ্নে হয়ে এই কমিশনের সদস্য হন।

শ্রী গোবিন্দ দেব, বাংলাদেশর তথা বরাক উপত্যকার , এই দুইয়েরই ভাষা আন্দোলনের পুরোধাদের একজন ছিলেন।

 

অমায়িক এবং উচ্চশিক্ষিত ( তখনকার আমলেরইংরেজি ও বাংলায় ডবল এম. এ.),খালিপায়ে, ঢাকার রমলার  ময়দানে, প্রাতর্ভ্রমন করার সময়, তাকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক গুলি করে মারে রাজাকারের সেনা, কারন তিনি রাজাকারদের সাথে অসহযোগিতা করেন, তিনি বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা বাহিনীর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করতে চান নি বলেই!

 

২] অমিতাভ চৌধুরী তার গ্রন্থ " মুখের ভাষা বুকের রুধির " লিপিবদ্ধ করেছেন অনেক ইতিহাস।

 

৩] পারিবারিক সূত্রে গোবিন্দ দেব আমার পিতামহীর কনিষ্ঠ ভ্রাতা,সত্যেন্দ্র দেব আমার জ্ঞাতিগত শরিকের সূত্রে জ্যেঠামশাই এবং

 

৪] মঞ্জুলী দেব( সেই সহ - প্রধান শিক্ষিকা)  আমার নিজের বড়ো পিসি, বাবার বড়ো বোন।

 

৫] শিলচরের গুরুচরণ কলেজে আমার জ্যেষ্ঠতাত,বাণিজ্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ছিলেন,

 

৬] টিকরবস্তি ( এখন কলেজ রোডে) আমার

পিতামহ চারুচন্দ্র দেবের নিজস্ব বাংলো বাড়ি ছিলো, যা, পূর্ববঙ্গের মায়া কাটিয়ে এসে,ভিটা ছেড়ে,তিনি নিজে ১৯৫৫ তে নির্মাণ সম্পূর্ণ করে বসবাস করেন ১৯৭৬ এর ডিসেম্বর অবধি, তারপরে কলকাতায়*

১৯৮৮র মে মাসে কলকাতার লবন হ্রদে, শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন ৯৬ বছর বয়সে, বার্দ্ধক্যের কারণেই!

 

বাকি অবর্ণিত সকল কাহিনি তাদের মুখেই শোনা।

পরিচিতি:

কলকাতা সেন্ট মেরিজ স্কুলের বিজ্ঞানের শিক্ষক। কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে রসায়নে সম্মান নিয়ে স্নাতক এবং বি.এড.। শখে কলম ধরা এবং বিভিন্ন পত্র পত্রিকায়, সংকলনে কবিতা প্রকাশিত। বেসরকারি টিভি চ্যানেলে কবিতা পাঠের অনুষ্ঠানেও আমন্ত্রিত হয়ে কবিতা পাঠ। নানা পুরষ্কারে পুরষ্কৃত , উল্লেখ্য সম্প্রতি পোয়েট লরিয়েট সম্মাননায় ভূষিত! দরিদ্র শ্রেণির ছাত্র ছাত্রীদের জন্য প্রভূত সহায়তা করেছেন এবং বহু অনাথ - অনাথিনী আজ তারই জন্য সুপ্রতিষ্ঠিত। শিক্ষাকে, পারিবারিক আদর্শে, বানিজ্যিক স্তরে কোনদিনই নিতে পারেননি, তাই আর্থিক আনুকূল্যে শিক্ষাদানকে কোনদিনই তিনি গুরুত্ব দেননি! একটি ছড়ার বই *একটু ছড়ালাম* ২০১৬ এ প্রকাশ পায় এবং দশম শ্রেণির জন্য আই.সি.এস. ই. বোর্ডের এক সহায়ক পুস্তক *ফুল মার্কস কেমিস্ট্রি* র সহ রচয়িতা, যা ছাত্রসমাজে বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করেছে
শেয়ার করুনঃ